ডিজি, স্বাস্থ্য বিভাগ
নতুন করে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে
_original_1743692464.jpg)
নাটোর প্রতিনিধি : স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডাক্তার মোহাম্মদ আবু জাফর বলেছেন, দেশে জনসংখ্যার তুলনায় চিকিৎসা ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত। প্রকৃত পক্ষে যে জনবল দরকার, সে তুলনায় আমাদের অনেক ঘাটতি রয়েছে। দেশের জনসংখ্যার তুলনায় আরও জনবল বাড়াতে হবে। আমাদের সীমাবদ্ধতা আছে, প্রতিকুলতা আছে তারপরও মানুষের জন্য মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে। তাই দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সংকট দূর করতে নতুন করে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এছাড়া বিসিএসের মাধ্যমে ২ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের জন্য ইতোমধ্যে পাবলিক সার্ভিস কমিশনে চিঠি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বিসিএস থেকে আরও সাড়ে ৩ হাজার চিকিৎসক নেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে নাটোরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন। এসময় মহাপরিচালক বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য আমরা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে স্বাস্থ্যকার্ড দিয়েছি। এছাড়া গুরুতর আহত ৪০ জনকে দেশের বাইরে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। তবে সর্বিক ব্যবস্থাপনায় স্বাস্থ্য বিভাগ মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব অর্পণ করেছে। জুলাই অভ্যুত্থানে ৮৩০ জন নিহত এবং প্রায় ১৬ হাজারের মত আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দেশে একজন ডাক্তারের বিপরীতে ৩ জন নার্স থাকার কথা থাকলেও সেখানে আমাদের দেশের এই চিত্র উল্টো। ডাক্তারের সংখ্যা বেশি, নার্সের সংখ্যা কম। আবার যে সমস্ত পদ রয়েছে, সেসমস্ত পদে জনবল শুন্য রয়েছে। কোথাও জনবল আছে, আসবাবপত্র নেই। আবার কোথাও আসবাবপত্র আছে জনবল নেই। তাই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য বিভাগ সমন্বিতভাবে উদ্যোগ নিয়ে খুব শিগগিরই এসব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে। বর্তমান অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে কাজ করছে।
আরও পড়ুনএসময় স্বাস্থ্য বিভাগের রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক ডা. হাবিবুর রহমান, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ নাটোর জেলা শাখার সভাপতি ডাক্তার আমিনুল ইসলাম, সদর হাসপাতালের কনসালটেন্ট ডাক্তার আনিছুজ্জামান পিয়াস ও নাটোর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মহাপরিচালক জেলা সদর হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করে রোগীদের বিভিন্ন সমস্যা এবং চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন। পরে চিকিৎসক সংকট নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসকদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।
মন্তব্য করুন