আশুলিয়ায় শ্রমিক দলের সমাবেশে ২ গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫
সাভারের আশুলিয়ায় শ্রমিক দলের সমাবেশে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ৫ জন।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের আশুলিয়ার বাইপাইল উত্তরবঙ্গগামী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পর সেখানে উপস্থিত হন আয়োজনের প্রধান অতিথি ও ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপি নেতা মাজহারুল ইসলাম খান ও তার চার অনুসারী। মাজহারুল ইসলাম খান উপজেলার ধামসোনা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে। বাকিদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
জানা যায়, কয়েক দিনের চলমান শ্রমিক অসন্তোষে দেশের শিল্প-কারখানায় ভাঙচুর ও শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টিকারীসহ ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে শনিবার বিকালে বাইপাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এক শ্রমিক সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুনএ সময় ট্রাকের ওপর স্টেজ তৈরি করা হলে সেখানে অবস্থান করা নিয়ে মাজহারুল ইসলাম খান নামের এক শ্রমিক দল নেতাকে ট্রাক থেকে ফেলে দেওয়া হলে তিনি গুরুতর আহত হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আশুলিয়া থানা ইউনিটের সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশের শুরুতেই ট্রাকের অস্থায়ী স্টেজে ওঠাকে কেন্দ্র করে প্রথমে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরে ধামসোনা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক দাবি করা মাজহারুল ইসলাম খানকে স্টেজ থেকে ফেলে দেওয়া হয়। এরপরে এক গ্রুপ এসে তাকে পিটিয়ে আহত করে। এ সময় দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও মারামারিতে বেশ কিছু চেয়ার ভাঙচুর করা হয়।
আহত মাজহারুল ইসলাম খান বলেন, আমি ধামসোনা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের রানিং সাধারণ সম্পাদক। গফুর চেয়ারম্যান ও মোখলেস খানের লোকজন আমাকে জোর করে স্টেজ থেকে ফেলে দেয়।
এ সময় প্রতিবাদ করায় আমাকে ও আমার নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে মারধর করা হলে আমিসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছি। পরে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আমিও হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিই। আশুলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অভিযুক্ত আব্দুল গফুরের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি একটি প্রোগ্রামে আছেন বলে কল কেটে দেন।
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল খালেক বলেন, সমাবেশে ট্রাকে অবস্থান করা নিয়ে বাগবিতণ্ডার ঘটনায় ধামসোনা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মাহজারুল ইসলাম খানকে নিচে ফেলে দেয়া হয়। পরে বেশ কিছু লোকজন তাকে কিল-ঘুষিসহ চেয়ার দিয়ে মারধর করেন। কিন্তু অনুষ্ঠানে সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সঙ্গে থাকায় আমি বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করতে পারিনি।
মন্তব্য করুন