সোনাতলায় ‘চোর’ বলার প্রতিবাদ করায় শিক্ষককে পেটালো পুলিশ

প্রকাশিত: আগস্ট ০৫, ২০২২, ০৮:২৯ রাত
আপডেট: আগস্ট ০৫, ২০২২, ১০:৪১ রাত
আমাদেরকে ফলো করুন

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: সোনাতলায় পুলিশের এ এস আই রশিদুল ইসলামের পিটুনীতে এক কলেজ শিক্ষক গুরুতর আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। ওই শিক্ষককে ছাগল ‘চোর’ বলে সম্বোধন করায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

জানা গেছে, আজ শুক্রবার বেলা আনুমানিক ২ টার সময় সোনাতলা পৌর এলাকার গড়ফতেপুর এলাকার বাসিন্দা, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাড়া মাদ্রাসার ইসলামের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক মোঃ আব্দুল আলিম (৪৫) দুটি ছাগল নিয়ে মাঠে চড়াতে যায়। যাওয়ার পথে সোনাতলা থানার এ এস আই রশিদুল ইসলাম ওই প্রভাষককে লক্ষ্য করে প্রশ্ন করে ‘তুই কে? তোর কাছে ছাগল কেন? তুই কি ছাগল চোর?’ পুলিশের এমন প্রশ্নে করে।

এ সময় ওই শিক্ষক পুলিশকে উদ্দেশ্য করে এমন প্রশ্ন করার কারন জানতে চাইলে ওই পুলিশ উত্তেজিত হয়ে শিক্ষকের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তখন ওই শিক্ষক রাস্তার পাশে রাখা ইটের উপর পড়ে গেলে মাথা ফেটে যায়। পরে শিক্ষকের গলায় থাকা গামছা দিয়ে তার গলা পেঁচিয়ে ধরে। এতে করে ওই শিক্ষক গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে সোনাতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়।

এ বিষয়ে ওই কলেজ শিক্ষকের ছোট বোন মুন্নুজান জানান, তাদের ৮ ভাই বোনের মধ্যে ৫ ভাই বোন শিক্ষক। এছাড়াও তার বাবা ছিলেন একজন কলেজ শিক্ষক। তার ভাইকে চোর বলে ট্রিট করায় তাদের শুধু ব্যক্তিগত নয় পারিবারিক সম্মানেও আঘাত হেনেছে।

এ ব্যাপারে ওই কলেজ শিক্ষক আব্দুল আলিম জানান, বেলা ২ টার সময় সে যখন বাড়ির পালিত ২টি ছাগল নিয়ে মাঠে খাওয়ানোর জন্য যাচ্ছিলেন, ঠিক সেই মুহুর্তে পুলিশ সদস্য রশিদুল ইসলাম তাকে চোর বলে ট্রিট করে মারপিট করে। এ বিষয়ে সোনাতলা থানার ওসি জালাল উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এটি একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনা। বিষয়টি তারা স্থানীয় ভাবে মিমাংসা করার  জন্য একজন কাউন্সিলরকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়