মান্দায় সরিষার মধু আহরণ করে তিন সপ্তাহে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা আয় যুবকের

প্রকাশিত: জানুয়ারী ২৩, ২০২৩, ০৮:৩৯ রাত
আপডেট: জানুয়ারী ২৩, ২০২৩, ০৮:৩৯ রাত
আমাদেরকে ফলো করুন

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁ জেলার অবারিত মাঠ জুড়ে সরিষার ক্ষেত। দৃষ্টি জুড়ে হলুদের সমারোহ। কৃষকের বুকে লালিত সফলতার স্বপ্ন। সেই সরিষা ফুল থেকে মধু আহরণ করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার স্বপ্নে বিভোর মৌয়ালরা। তেমনই একজন মৌয়াল হারুন রশিদ।

তিনি সরিষার ক্ষেতের পাশে মৌ-বাক্স পেতে মৌমাছি পালন এবং মধু আহরণ করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার স্বপ্নে বিভোর। মাত্র তিন সপ্তাহে প্রায় ৪ লাখ ৮০ টাকার মধু আহরণ করছেন তিনি। নওগাঁ-রাজশাহী আঞ্চলিক মহা-সড়কের পাশে মান্দা উপজেলার সাতবাড়িয়া মাঠে সরিষা ক্ষেতের সথে ২শ’ টি বাক্স  স্থাপন করেছেন। প্রতিটি বাক্সে একটি করে রাণী মৌমাছি বসিয়ে দিয়ে মৌমাছি চাষ করেছেন। প্রতিটি বাক্সে ৩/৪ টি করে চাক স্থাপন করেছেন।

এখন থেকে ১৫ দিন আগে এসব চাক স্থাপন করেন। প্রতিটি বাক্স থেকে প্রতি ৮ দিন পর মধু আহরণ করা হয়। প্রতি ৮ দিনে এসব বাক্স থেকে কমপক্ষে ৮শ’ কেজি মধু আহরিত হয়। আজ সোমবার (২৩ জানুয়ারি) পর্যন্ত  ১৫ দিন অর্থ্যাৎ দুই সপ্তাহে ১৬শ’ কেজি মধু আহরিত হয়েছে।

হারুন রশিদ জানিয়েছে তিনি সরিষার ফুল থাকতে থাকতেই আর এক সপ্তাহ মধু আহরণ করতে পারবেন। অর্থ্যাৎ তিনি আরও ৮শ’ কেজি মধু আহরণ করবেন। সেই হিসেবে এই মৌসুমে তার মোট মধু আহরিত হবে ২৪শ’ কেজি। আহরিত মধু তাদের নির্ধারিত মধু ব্যাবসায়ী কোম্পানির কাছে ছাড়াও তার এই খামার থেকে প্রচুর সংখ্যক সাধারণ ক্রেতারা খুচরা মধু ক্রয় করে থাকেন। প্রতি কেজি মধু ২শ’ টাকা দরে বিক্রি করছেন।

সেই হিসেবে হারুন রশিদ এই একটি স্পট থেকে মাত্র ৩ সপ্তাহে আয় করছেন ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এখানে মধু আহরণ শেষ করে তিনি যাবেন ফরিদপুরে।

নওগাঁর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আবু হোসেন বলেছেন নওগাঁ জেলার কৃষকরা ক্রমেই সরিষা চাষে অধিক আগ্রহী হয়ে উঠছেন। এসব সরিষা ক্ষেতের পাশে মৌ-বাক্স পেতে মধু আহরণ করে একশ্রেণির মৌয়ালরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। এটি আয়ের একটি ভালো পথ।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়