শাহজাদপুরের পল্লীতে চাষ হচ্ছে স্কোয়াশ 

প্রকাশিত: জানুয়ারী ২৪, ২০২৩, ০৩:১২ দুপুর
আপডেট: জানুয়ারী ২৪, ২০২৩, ০৩:১২ দুপুর
আমাদেরকে ফলো করুন

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি : শাহজাদপুর উপজেলার পল্লী অঞ্চল রূপবাটি ইউনিয়নের বাগধুনাইল এলাকার শত শত মানুষ স্কোয়াশ চাষে ঝুঁকে পড়ছেন। স্কোয়াশ মূলত একটি শীতকালীন সবজি দেখতে অনেকটা বাঙ্গির মতো লম্বা ও সবুজ। 

এটি একটি বিদেশি সবজি হলেও ভোক্তার কাছে এর চাহিদা অন্যরকম। অপরদিকে উচ্চমূল্যের ফসল হওয়ায় স্কোয়াশ চাষে কৃষকের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। স্কোয়াশ চাষে বিঘাপ্রতি প্রায় ২০ হাজার টাকা উৎপাদন ব্যয় হলেও উৎপাদিত স্কোয়াশ বিক্রি করে প্রায় দেড় লাখ টাকা পাওয়া যায়। এতে স্কোয়াশ চাষে খরচ বাদে বিঘাপ্রতি কৃষকের প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা লাভ হয়। মাত্র ৪০-৫০ দিনেই এ ফসল পাওয়া যায়। ফলে স্কোয়াশ চাষে লাভবান হচ্ছে কৃষক। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার রূপবাটি ইউনিয়নের চর ধুনাইল গ্রামসহ বিস্তৃর্ণ এলাকাজুড়ে এ সবজির চাষ হচ্ছে। চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ৮ হেক্টর জমিতে স্কোয়াশ চাষ হয়েছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এখানকার স্কোয়াশ সরাসরি চলে যাচ্ছে ঢাকায়। উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকেও স্কোয়াশ চাষ বাড়াতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প থেকে মালচিং শিট ব্যবহার করে উন্নতমানের স্কোয়াশ উৎপাদন প্রদর্শনী স্থাপন করা হয়েছে।

কৃষক আব্দুস সালাম জানান মালচিং শিট ব্যবহার করার ফলে স্কোয়াশ চাষে পানি সেচ, নিড়ানি দিতে হয়নি। রোগ বালাই এর উপদ্রব কম। তিনি আরো বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে ২ হাজার ৫০০ গাছ আছে, প্রতি গাছে গড়ে ৩-৪টি স্কোয়াশ রয়েছে। প্রতিটি স্কোয়াশ ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। 

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোহাম্মদ আব্দুস ছালাম বলেন, অল্প সময়ে স্বল্প বিনিয়োগে স্কোয়াশ চাষে বেশি লাভ করা যায়। স্কোয়াশ চাষে কৃষকরা ব্যাপক সফলতা পাচ্ছেন। এই চরের আবহাওয়া স্কোয়াশ চাষের জন্য উপযোগী এবং লাভজনক। সেজন্য এর চাষ বাড়াতে আমরাও কৃষকদেরকে পরামর্শ দিচ্ছি।  

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়