রাণীনগরে মালচিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষে সফল চাষি

মাসুদ রানা

প্রকাশিত: জানুয়ারী ২৫, ২০২৩, ০৯:৪৬ রাত
আপডেট: জানুয়ারী ২৫, ২০২৩, ০৯:৪৬ রাত
আমাদেরকে ফলো করুন

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগরে মালচিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষে সফল চাষি মাসুদ রানা। আর এ কারণেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে মালচিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষ। এ পদ্ধাতিতে টমেটো চাষ করে কৃষকের শ্রম, সময় ও খরচ কম হওয়ায় লাভও বেশি হয়। বাহুবলি এবং মিন্টু সুপার জাতের টমেটোগুলো ৯০ দিনের মধ্যে এর বাজারজাত করা যায়।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মাসুদ রানা প্রায় ২ বিঘা জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষ শুরু করে ভালো ফলনের আশা করছেন। তার প্রায় ২৫ বিঘা জমিতে সমন্বিত কৃষিখামার আছে। এখানে প্রতি বছর নানান রকমের তরকারির চাষ করেন তিনি। বারোমাসি তরমুজ থেকে শুরু করে করলা, শসা, মরিচ, বেগুন ও ভিয়েতনামের নারিকেল পর্যন্ত চাষ করেন তিনি।

উপজেলার গোনা ইউনিয়নের বেতগাড়ী গ্রামের মাসুদ রানা ১৯৯০ সাল থেকে কৃষির সাথে জড়িত। স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শে আধুনিক পদ্ধতিতে সারা বছরে কোন না কোন সবজি চাষ করেন। চলতি মৌসুমে ঢাকার মানিক সীড কোম্পানি থেকে বাহুবলি জাতের এবং লাল তীর কোম্পানির মিন্টু সুপার জাতের টমেটোর বীজ কিনে নিজের জমিতে চারা গজিয়ে ২ বিঘা জমিতে প্রায় ৯০ দিন আগে চারা লাগান।

নিবিড় পরিচর্যা ও আর্গানাইজ পদ্ধতিতে এই টমেটো চাষ করায় প্রতিটি গাছের ডগায় ডগায় টমেটো ধরেছে। দেখতে খুব সুন্দর হওয়ায় আশেপাশের লোকজন তা দেখতে আসছে। প্রতিবেশী চাষিরা বলছেন, আমরাও এই পদ্ধতিতে টমেটো চাষ শুরু করবো।
উপসহকারী কৃষি অফিসার আমিনূল ইসলাম জানান, মাসুদ রানা একজন পরিশ্রমী কৃষক। গতবছর থেকে তিনি মালচিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষ করছেন। তার ধারাবাহিকতায় এবারও বেশি জমিতে টমেটো চাষ করেছেন। ফলন ভালো ও বাজারে দাম বেশি পেলে তিনি অনেকটাই লাভবান হবেন।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়