চলচ্চিত্রে সর্বোচ্চ অবদানের জন্য 'শিল্পকলা পদক'-এ ভূষিত অনুপম হায়াৎ

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২২, ০৮:৩৮ রাত
আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২২, ০৮:৩৮ রাত
আমাদেরকে ফলো করুন

অভি মঈনুদ্দীন: বাংলাদেশের বিশিষ্ট চলচ্চিত্র বিশ্লেষক, গবেষক ও চলচ্চিত্র বিষয়ক লেখক অনুপম হায়াৎ'কে চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ 'শিল্পকলা পদক'-এ ভূষিত করা হয়েছে। গেলো বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় তার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেয়া হয়।

সেদিন বিকেলে রাজধানীর সেগুন বাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি'র জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে ২০১৯ ও ২০২০ সালে বিভিন্ন শিল্পের বিভিন্ন শাখায় অবদানের জন্য 'শিল্পকলা পদক’-এ ভূষিত করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য অনুপম হায়াৎ'কেও শিল্পকলা পদকে ভূষিত করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’র মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ। তিনি ভার্চুয়ালি এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। অনুষ্ঠানের সভাপতি সংষ্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এবং অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তা শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর হাত থেকে অনুপম হায়াৎ ২০১৯ সালের 'শিল্পকলা পদক' গ্রহন করেন।

অনুপম হায়াৎ বলেন, দীর্ঘ ৪৯ বছর ধরে চলচ্চিত্র বিষয়ে লেখালেখি, গবেষণা, শিক্ষকতা এবং আমার কর্মের মধ্যদিয়ে ফিল্ম আর্কাইভের সাথে সম্পৃক্ত হওয়া-সবকিছু মিলিয়ে জীবনের এই পর্যায়ে এসে শিল্পকলা পদক অর্জন আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। এই অর্জনের মধ্যদিয়ে চলচ্চিত্র বিষয়ক গবেষনা, লেখালেখি ও শিক্ষকতার নতুন এক দ্বার উন্মোচিত হলো। আমি সত্যিই ভীষণ খুশি। যারা আমাকে মনোনীত করে চূড়ান্তভাবে আমার হাতে এই সম্মাননা তুলে দিয়েছেন তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, ভালোবাসা। নীতিমালা অনুযায়ী ১৬ সদস্যের কমিটি প্রতি বছর পদকের জন্য গুণিজন নির্বাচন করে থাকেন। 'শিল্পকলা পদক'-এর জন্য মনোনীত ব্যক্তি/ব্যক্তিগণের প্রত্যেককে একটি করে স্বর্ণপদক, সনদপত্র এবং এক লাখ টাকার চেক প্রদান করা হয়। অনুপম হায়াৎ’র লেখা বইয়ের মধ্যে রয়েছে 'চলচ্চিত্রের খোলা জানালায়', 'বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাস', 'চলচ্চিত্র বিদ্যা', 'চিত্রনাট্য কলা', 'জহির রায়হান চলচ্চিত্র', 'আলমগীল কবির চলচ্চিত্র', বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসের নতুন উপাদান, 'বঙ্গবন্ধু চলচ্চিত্র', 'চলচ্চিত্রে নজরুল', 'চলচ্চিত্রে রবীন্দ্রনাথ'সহ আরো বেশকিছু বই বাজারে প্রকাশিত আছে। অনুপম হায়াৎ’র স্ত্রী মনোয়ারা বেগম। তার ছেলে অব্যয়, তিন মেয়ে শম্পা, লায়লা ও তারানা। শম্পা সিলেট অঞ্চলের নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার। ১৯৬০ সালের ১ জুন অনুপম হায়াৎ’র জন্ম।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়