নেই চিরচেনা কোলাহল ও যানজট খোলেনি বেশির ভাগ দোকান ও হোটেল
ঈদুল ফিতরের ছুটির আমেজ এখনও কাটেনি বগুড়ার শহরে

স্টাফ রিপোর্টার : ঈদের আমেজ কাটেনি শহরে। ঈদের ছুটি শেষে খুলেছে অনেক অফিস। তবুও অচেনা বগুড়া শহর। চারিদিকে কোলাহল নেই। সড়কে নেই রিকশা এবং গাড়ির জট। রাস্তার পাশে ও অলিগলির দোকান ও শোরুমের সার্টারগুলো এখনও বন্ধ। আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ছিল ছুটির দিন এবং ঈদের পরের চতুর্থ দিন।
শহরের মার্কেটের দোকানের বেশিরভাগ বন্ধ ছিল। খোলেনি হোটেল, তবে খোলা ছিল শহরের অভিজাত এলাকার রেষ্টুরেন্ট ও ফাস্টফুডের দোকানগুলো। শহরের বাইরে থেকে যারা অতি প্রয়োজনে এসেছেন তারা পড়েছেন বিপদে। এছাড়াও শহরের যানবাহনে সংকট ছিল প্রকট। যারা বের হয়েছেন তারা প্রায় ডাবল ভাড়া দাবি করছিল ঈদ উপলক্ষ্যে।
এবারের ঈদের ছুটি ছিল অন্যান্য বছরের তুলানয় একটু বেশি। এছাড়াও মাঝের একদিনের অফিস এর ছুটি ম্যানেজ করে ছুটি আর বেড়ে ১১ দিন পেয়েছে সরকারি চাকরিজীবীরা। ব্যাংকগুলোও খোলেনি। এই জন্য লম্বা ছুটির ফাঁদে পড়েছে দেশসহ বগুড়া। এই ছুটির মধ্যে বিয়ের অনুষ্ঠান সেড়ে ফেলছেন। এরকমই একজন দুপাচাঁচিয়া সদরের মো: ইফতি।
অনেকদিন থেকেই বিয়ের কথাবার্তা চলছিল । কিন্তু ব্যাটেবলে মিলছিল না। হঠাৎ করেই মেয়ে দেখে বিয়ে ঠিক হয়ে যায়। অল্প সময়ের জন্য তাদের কেনাকাটা করতে হবে। আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার শহরে এসেছিলেন কেনা কাটা করতে। সারাদিন কেনাকাটা শেষে শহরের হোটেলে দুপুরের খাবার খাবেন। কিন্তু তারা পড়েন বিপাকে। হোটেল বন্ধ। চা খাবেন তারও উপাই নেই। শেষে রাস্তার পাশে থেকে পানি বিস্কুট খেয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
আরও পড়ুনআজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে ভাইয়ের বাসায় শহীদ নগর এলাকায় দাওয়াত খেতে এসেছেন মো: ছামছুল আলম। খেয়ে তার পরিবারের চার জনকে নিয়ে রিকশার জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন প্রায় ঘন্টাখানেক দুটো রিকশা পাচ্ছিলেন না। যা পাচ্ছিলেন তারা ৫০ টাকার ভাড়া ১০০ টাকা চাচ্ছিলেন।
শেষে ১৬০ টাকায় বাড়ি ফিড়ে যান। একই কথা জানালেন বগুড়া নিউ মার্কেট এলাকার একজন ব্যবসায়ী ওসমান। কর্মচারী নেই নিজেই দোকান খুলে বসে আছেন। ক্রেতা নেই। দুই একজন আসছেন তারা বেশিভ্গাই বিয়ের কেনাকাটা করছেন। বললেন আরও একসপ্তাহ পর স্বাভাবিক হবে মার্কেটের বেচাকেনা।
মন্তব্য করুন