ফিনল্যান্ড ও সুইডেনকে ন্যাটোতে দেখতে চায় না এরদোয়ান

প্রকাশিত: মে ১৪, ২০২২, ১২:৪২ দুপুর
আপডেট: মে ১৪, ২০২২, ১২:৪২ দুপুর
আমাদেরকে ফলো করুন

ফিনল্যান্ডের দরজায় যখন কড়া নাড়ছে ন্যাটোর সদস্য পদ তখন দেখা দিলো নতুন শঙ্কা। ফিনল্যান্ড ও সুইডেনকে সামরিক এ জোটের সদস্য হিসেবে দেখতে চায় না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ন্যাটোভুক্ত দেশ তুরস্ক। স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোকে সন্ত্রাসী সংগঠনের গেস্টহাউস আখ্যা দিলেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। আর তাই তাদের সামরিক জোটটির সদস্য হিসেবে দেখতে চান না তারা। তবে ফিনল্যান্ডও জানিয়েছে, সমস্যা সমাধানে তুরস্কের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাবে।

তুর্কি প্রেসিডেন্টের দাবি, অতীতে গ্রিসের সদস্যপদের অনুমোদন দিয়ে যে ভুল করেছে তুর্কি সরকার, এবার তার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চায় না তারা। তুরস্কের প্রেসেডেন্ট বলেন, সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের ন্যাটোতে যোগাদানের বিষয়টি আমরা ইতিবাচকভাবে নিচ্ছি না। অতীতে গ্রিসের ন্যাটোর সদস্য পদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ভুল করেছিল তুরস্ক। আর বর্তমানে তুরস্কের প্রতি গ্রিসের মনোভাব সবারই জানা। আমরা অতীতের ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে চাই না। স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো সন্ত্রাসী সংগঠনের গেস্টহাউস। এসব দেশে অনেক সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্য লুকিয়ে আছে।

এর ফলে বড়সড় এক ধাক্কাই খেলো ফিনল্যান্ড ও সুইডেন। এতদিন ন্যাটোতে যোগ না দিতে তাদের হুমকি দিয়েছে রাশিয়া। সেটি তোয়াক্কা না করে যখন সামরিক জোটে যাবার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিল দেশ দুটি তখনই তুরস্কের বিরোধিতা হলো নতুন মাথা ব্যাথার কারণ। তুরস্কের এ অবস্থানের তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি সুইডিশরা। তবে ফিনিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেক্কা হ্যাভিস্তো বলছেন, আমরা তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছি। সম্প্রতি আমি দুই দফা তুরস্ক সফরে গিয়েছি। তুরস্কের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাবো। এ ধরনের প্রক্রিয়া একদিনে সম্পন্ন করা সম্ভব না। আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে। ধাপে ধাপে সমস্যাগুলোর সমাধান করতে হবে।

সামরিক জোটে অন্তর্ভুক্ত হতে যে কোনো দেশের প্রয়োজন ত্রিশটি সদস্য রাষ্ট্রের সমর্থন। তা নিশ্চিত ভেবেই কয়েকিদনের মধ্যেই ন্যাটোর সদস্য পদের জন্য আবেদন করার কথা ফিনল্যান্ডের। ন্যাটোও জানিয়ে রেখেছিল, দেশদুটিকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত তারা।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়