একটি অপরাধের মামলায় জেল খাটছিল লরেন্স। জামিনে ছাড়া পেয়েছিল সে। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরই অ্যান্ড্রিয়া ব্ল্যাঙ্কেনশিপ নামে এক নারীর বাড়িতে যান। অভিযোগ, অ্যান্ড্রিয়াকে খুন করেন। তারপর তার দেহ চিরে হৃৎপিণ্ড কেটে নেন।
এর পরই সেই হৃৎপিণ্ড নিয়ে চাচার বাড়িতে যান। তাদের অজান্তে সেই হৃৎপিণ্ড রান্না করেন লরেন্স। চাচা লিও পাই এবং তার চার বছরের নাতনিকে রান্না করা হৃৎপিণ্ড খাওয়ান। খাওয়াদাওয়া শেষে চাচা এবং তার নাতনিকে কুপিয়ে খুন করেন তিনি। তারপর সেখান থেকে পালিয়ে যান।
২০২১ সালের এই ঘটনায় সম্প্রতি লরেন্সকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। অ্যান্ড্রিয়া ব্ল্যাঙ্কেনশিপ খুনের তদন্তে নেমে পুলিশ সম্প্রতি লরেন্সের খোঁজ পায় পুলিশ। তাকে গ্রেফতার করা হয়। জেরায় লরেন্স তিনটি খুনের কথা স্বীকার করেন। এরপরই আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়।
পুলিশ জানিয়েছে, এর আগে মাদকপাচার মামলায় কারাদণ্ড হয়েছিল লরেন্সের। বেশ কয়েক বার জেলও খেটেছেন তিনি।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।