ট্রল করলে আমার পরিবার কষ্ট পায় : শান্ত

প্রকাশিত: জানুয়ারী ২৫, ২০২৩, ০২:১৫ দুপুর
আপডেট: জানুয়ারী ২৫, ২০২৩, ০২:১৫ দুপুর
আমাদেরকে ফলো করুন

স্পোর্টস ডেস্ক : জিতেই চলেছে দল, নিজের ব্যাটও হাসছে। শুধু ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেটেই নয়, জাতীয় দলেও গেল এক বছর নিয়মিত পারফর্মার নাজমুল হোসেন শান্ত। তবুও সমালোচনা আর সামাজিক মাধ্যমে ট্রল থেকে নিস্তার মিলছে না এই টপ অর্ডার ব্যাটারের। শুধু শান্তই নন, বুলিংয়ের শিকার হতে হয়েছে তার পরিবারের সদস্যদেরও। এ নিয়ে হতাশা ঝরলো তার কণ্ঠে।

বাংলাদেশে ক্রিকেট শুধু একটা খেলাই নয়, বরং তার চাইতেও হয়তো বেশি কিছু। ক্রিকেট মিশে আছে রক্তে, ক্রিকেট মানেই আবেগ আর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। তবে সেই অতি আবেগ কখনও কখনও ছাড়িয়ে যায় মাত্রা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিদ্রুপের শিকার শুধু যে ক্রিকেটাররাই হন তাই নয়, বাদ যায় না তাদের পরিবারের সদস্যরাও।

নাজমুল হোসেন শান্তর কথাই ধরা যাক। দুঃসময়কে পেছনে ফেলে রান পাচ্ছেন নিয়মিত। গেল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ছিলেন বাংলাদেশের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ স্কোরার। বিপিএলে সিলেট স্ট্রাইকার্সের জার্সিতে নিয়মিত রান পাচ্ছেন। সিলেটের জার্সিতে ৭ ম্যাচে ৫৬ গড়ে তৃতীয় টুর্নামেন্ট সর্বোচ্চ ২৮১ রান করেছেন তিনি। তবুও কিছুতেই বিদ্রুপকারীরা পেছন ছাড়ছে না শান্তর আর তার পরিবারের।

এ নিয়ে সিলেটের হয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসে শান্ত বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিষয়গুলো আমার জন্য যতটা কঠিন, আমার পরিবারের জন্য তার চেয়ে বেশি কঠিন। আমি যেভাবে বুঝি, আমার পরিবারের সদস্যরা সেভাবে বোঝে না। তারা কষ্ট পায়, খারাপ লাগে। এই জিনিসটার জন্য আমি মাঝে মাঝে হতাশ হই।’

যতই সমালোচনা হোক, শান্ত মাঠে নিজের কাজটা ঠিকঠাক করতে চান। যতটা সম্ভব নিজের মনোযোগকে দূরে রাখতে চান এই ইস্যুতে। তিনি বলেন, ‘আমার পরিকল্পনা কিংবা আমি কতটুকু হার্ড ওয়ার্ক করি, সেটা হয়তো অনেকে জানে না। জানার প্রয়োজনও নেই। এটা যার যার চিন্তা ভাবনা থেকে বলে। আমি এটা নিয়ন্ত্রণও করতে পারব না। পরিবর্তন হবে কি, হবে না সেটা নিয়ে আমি খুব চিন্তিতও নই। যদি হয়, আলহামদুলিল্লাহ। যদি না হয়, তাও আমার কিছু করার নেই। এটা যার যার চিন্তা ভাবনা থেকেই বলে।’

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়